হুতি বিদ্রোহীরা রিয়াদ বিমানবন্দরের কাছে হামলা চালিয়েছে
হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের রিয়াদেই কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে, যার ফলে ফুয়েল স্টোরেজ ডিপোতে আগুন লেগেছে এবং ফ্লাইট বিলম্বিত ও বাতিল হয়েছে। সৌদি সরকার এখনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি এবং নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতির তদারকি করছে। বিশ্বব্যাপী কাঁচা তেলের দাম বাড়ার সম্ভাবনা রয়ে গেছে।
AI-generated · Verify with full article
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে শনিবার হঠাৎ করে তীব্র আগুন লেগে আকাশে কালো ধোঁয়ার স্তূপ উঠতে দেখা গেছে। হুতি বিদ্রোহীরা এই এলাকায় ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন দিয়ে দুটি অভিযান চালিয়ে হামলা করেছে।
হুতি বিদ্রোহীদের হামলার পর রিয়াদের বিমানবন্দরের কাছে নির্মিত ফুয়েল স্টোরেজ ডিপো থেকে ঘন কালো ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে। স্থানীয়রা তীব্র বিস্ফোরণ এবং আগুনের শিখা দেখেছে, যার ফলে আশেপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনার কারণে অনেক ফ্লাইট দীর্ঘ সময় বিলম্বিত হয়েছে এবং কিছু ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
সৌদি প্রশাসন এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করেনি, তবে স্থানীয় অগ্নিনির্বাপক বিভাগ এবং নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে এবং পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। প্রশাসন তদন্ত করছে আগুনটি ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলাফল নাকি প্রযুক্তিগত ত্রুটি।
হুতি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চল দখল করে রেখেছে এবং তারা সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনাগুলো, বিমানবন্দর এবং শক্তি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। তাদের হামলার উদ্দেশ্য সৌদি আরবের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করা।
এর আগে হুতিরা আরামকোর তেল স্থাপনাগুলো এবং অনেক শহরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এবার রিয়াদ বিমানবন্দরের কাছে ফুয়েল ডিপোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে, যা স্পষ্ট করে যে বিদ্রোহীরা এখন রাজধানীর সংবেদনশীল স্থানে পৌঁছাচ্ছে।
সৌদি সিভিল ডিফেন্স শুক্রবার রাতে রিয়াদ ও আশেপাশের এলাকায় জরুরি সতর্কতা জারি করেছিল, যেখানে মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। যদিও শনিবার সকালে বিপদের অবসানের খবর দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু কিছুক্ষণ পর বিমানবন্দরের কাছে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং সাধারণ মানুষ ও শক্তি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করার আন্তর্জাতিক নিয়ম লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে। এর পরেও বিদ্রোহীরা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে এই উত্তেজনার কারণে কাঁচা তেলের দাম বাড়তে পারে, যার প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে পড়বে। বর্তমানে রিয়াদ বিমানবন্দরের আশেপাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতির উপর কঠোর নজর রাখা হচ্ছে। তদন্ত প্রতিবেদন ও আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি স্পষ্ট হবে।
अक्सर पूछे जाने वाले सवाल
- হামলার উদ্দেশ্য কী?
- হুতিরা সৌদি আরবের অর্থনৈতিক এবং কৌশলগত কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করাই লক্ষ্য করছে।
- সৌদি প্রশাসনের কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে?
- প্রশাসন পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং তদন্ত করছে কারণ হামলা নাকি প্রযুক্তিগত ত্রুটির ফল।
- আগুন লাগার পর পরিস্থিতি কেমন ছিল?
- স্থানীয়রা তীব্র বিস্ফোরণ দেখেছে এবং আশেপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছিল।
- জাতিসংঘের কি ভূমিকা রয়েছে?
- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক নিয়ম লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে।
- এই হামলার আন্তর্জাতিক প্রভাব কী হতে পারে?
- মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে কাঁচা তেলের দাম বাড়তে পারে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে।
AI-निर्मित · पूरी ख़बर से पुष्टि करें
50 free articles left today
0 of 50 free reads used today.
সর্বাধিক পঠিত



Comments
0 threadsNo approved comments yet. Start the discussion.