পিলিভীত-এ অনলাইন গেমিং থেকে ১০২ কোটি টাকার প্রতারণা, দুইজন গ্রেফতার
পিলিভীত পুলিশ অনলাইন গেমিং ও ভুয়া বিনিয়োগের নামে ১০২.৫৪ কোটি টাকার সাইবার প্রতারণার একটি চক্র উন্মোচন করেছে এবং দুইজনকে গ্রেফতার করেছে। এই চক্র ১৪টি রাজ্যের মানুষকে প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির মামলা দায়ের করা হয়েছে।
AI-generated · Verify with full article
পিলিভীত। পিলিভীত পুলিশ অনলাইন গেমিং ও ভুয়া বিনিয়োগের নামে ১০২.৫৪ কোটি টাকার সাইবার প্রতারণা করা একটি চক্রের সন্ধান পেয়েছে। পুলিশ প্রধান মোহসিন এবং নার্সিং ছাত্র রাহুলকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠিয়েছে। চক্রটি ১৪টি রাজ্যের বহু মানুষকে প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
প্রতারণার পদ্ধতি এবং চক্রের পরিচয়
পুলিশের মতে, মোহসিন এবং তার চক্র ইন্টারনেট মিডিয়াতে বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষকে অনলাইন গেমিং ও বিনিয়োগের নামে ভুয়া লাভের লোভ দেখিয়েছে। তারা ছোট দোকানদার এবং ফার্ম পরিচালকদের নতুন কারেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলিয়েছে এবং অগ্রিম হিসেবে ১০-১০ হাজার টাকা দিয়েছে। এর বিনিময়ে অভিযুক্তরা তাদের এটিএম কার্ড, চেকবুক এবং আধার কার্ড নিজেদের কাছে রেখেছে।
চক্রের সদস্যরা মোবাইল ব্যাংকিং ও নেট ব্যাংকিংয়ের ওটিপি নিয়ে অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে তারপর সেই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা নিজেদের র্যাকেটের অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করত। এই সময় বরেলি জেলার ভোজিপুরার বাসিন্দা বিশাল মোর্য এবং ফারমানও ছিলেন, যারা প্রতিটি অ্যাকাউন্ট খুলতে ৩০ হাজার টাকা নিতেন।
তদন্তে জানা গেছে মোহসিন পিলিভীতের ব্যাংক অফ বরোদার শাখাগুলোতে অনেক কারেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলিয়েছেন। ধরা পড়ার ভয়ে অভিযুক্তরা মোবাইল সিম কার্ড পুড়িয়ে দিয়েছে এবং বেশিরভাগ ডেটা মুছে ফেলেছে।
অভিযোগ ও আইনি ব্যবস্থা
পুলিশের কাছে ২০০টির বেশি অভিযোগ এসেছে, যার মধ্যে হারুনের অ্যাকাউন্টে ৪২ কোটি টাকা, মোহসিনের অ্যাকাউন্টে ৩২ কোটি টাকা এবং রাহুলের অ্যাকাউন্টে ২৮ কোটি টাকার প্রতারণা রয়েছে। চক্রটি উত্তর প্রদেশ, গুজরাট, কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র, পাঞ্জাব, চেন্নাই, রাজস্থান, তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গানা, বাংলা, দিল্লি, উত্তরাখণ্ড, আন্দ্রপ্রদেশ এবং বিহারের মানুষদের প্রতারণা করেছে।
চক্রের বিরুদ্ধে প্রতারণা, জালিয়াতি, ঠকানো এবং আইটি আইনের ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। জাহানাবাদ থানা পুলিশ এবং সাইবার সেলের যৌথ টিম এই ব্যবস্থা নিয়েছে।
পুলিশের ব্যবস্থা
পিলিভীত পুলিশ মোহসিন এবং নার্সিং ছাত্র রাহুলকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠিয়েছে। পুলিশ অভিযুক্তদের কাছ থেকে ল্যাপটপ, মোবাইল এবং অনেক ভুয়া ব্যাংকিং নথি উদ্ধার করেছে।
দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে
অবধভান ভদৌরিয়া, সিও
ধরমেন্দ্রের এজেন্সির নিবন্ধনের তথ্যও সংগ্রহ করা হচ্ছে
অবধভান ভদৌরিয়া, সিও
अक्सर पूछे जाने वाले सवाल
- এ ধরনের প্রতারণা ঠেকাতে পুলিশ আরও কী ব্যবস্থা নিচ্ছে?
- পুলিশ অভিযুক্তদের কাছ থেকে ল্যাপটপ, মোবাইল এবং ভুয়া ব্যাংকিং নথি উদ্ধার করেছে এবং সাইবার সেলের সাথে সহযোগিতায় তদন্ত চলছে।
- প্রতারণার শিকাররা কার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন?
- জাহানাবাদ থানা পুলিশ এবং সাইবার সেলের যৌথ টিমের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন যারা তদন্ত করছেন।
- চক্র কীভাবে মানুষদের ভুয়া লাভের ফাঁদে ফেলে?
- চক্র ইন্টারনেট মিডিয়াতে বিজ্ঞাপন দিয়ে অনলাইন গেমিং ও বিনিয়োগের নামে ভুয়া লাভের লোভ দেখিয়ে মানুষদের ফাঁদে ফেলত।
AI-निर्मित · पूरी ख़बर से पुष्टि करें
50 free articles left today
0 of 50 free reads used today.
সর্বাধিক পঠিত









Comments
0 threadsNo approved comments yet. Start the discussion.