সুদানে সোনার খনি ধসে ৬৭ শ্রমিক চাপা পড়েছে
সুদানের ওয়েস্ট করদোফান প্রদেশের একটি সোনার খনি ধসে কমপক্ষে ৬৭ শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন। দুর্ঘটনায় জরুরি উদ্ধার কাজ বাধাগ্রস্ত হয়েছে এবং মৃতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সুদানের গৃহযুদ্ধ এবং অবৈধ খনির কারণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনুপস্থিত থাকায় এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে।
AI-generated · Verify with full article
সুদানের ওয়েস্ট করদোফান প্রদেশের নুহুদ শহরে অবস্থিত আল-জারা সোনার খনি মঙ্গলবার গভীর রাতে হঠাৎ ধসে পড়ে। এই দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ৬৭ শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে যায়, যারা খনির ভিতরে তৈরি বিভিন্ন সুড়ঙ্গের মধ্যে কাজ করছিল।
খনির ভিতরে অনেক ছোট ছোট সুড়ঙ্গ তৈরি ছিল, যেখানে শ্রমিকরা গভীরে আটকে পড়েছিল। হঠাৎ খনির উপরের অংশের মাটি এবং ভারী পাথর ধসে পড়তে শুরু করে, যার ফলে পুরো খনি তাসের পত্তার মতো ধসে পড়ে। ভিতরে কাজ করা শ্রমিকদের পালানোর সুযোগ হয়নি এবং তারা শত শত টন কাদামাটি, মাটি ও পাথরের নিচে চাপা পড়ে যায়।
ঘটনার পর নিকটবর্তী গ্রাম থেকে মানুষ এবং বেঁচে থাকা শ্রমিকরা হতবাক হয়ে খনির দিকে দৌড়ায়, কিন্তু খনি এত গভীর এবং বাঁকানো সুড়ঙ্গের মধ্যে বিভক্ত ছিল যে ভারী যন্ত্র ছাড়া নিচে আটকে থাকা মানুষদের কাছে পৌঁছানো সম্ভব ছিল না। সেখানে উপস্থিত মেডিকেল টিম এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন যে ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অনেক মানুষ আটকে আছে, যার ফলে মৃতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
খায়র-আল-সইদ গাবারা জানান যে দুর্ঘটনাটি এত দ্রুত ঘটে যে কাউকে সামলানোর সুযোগ হয়নি। ধ্বংসস্তূপ সরানোর জন্য সেখানে কোনো জেসিবি বা খনন যন্ত্র ছিল না। গ্রামবাসী এবং শ্রমিকরা নিজেদের হাতে, কুড়াল এবং সাধারণ সরঞ্জাম দিয়ে ভারী পাথর ও কাদামাটি সরানোর কাজে লিপ্ত রয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া মানুষের শ্বাসরুদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।
এই দুর্ঘটনা সুদানের গৃহযুদ্ধ এবং অবৈধ খননের কালো ব্যবসার ফল। গত তিন বছর ধরে সুদানি সেনা এবং প্যারামিলিটারি গ্রুপ ‘র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস’-এর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ চলছে, যার ফলে প্রশাসনিক কাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। এই কারণে ঘটনাস্থলে উদ্ধার কাজের জন্য কোনো জেসিবি বা ভারী ক্রেন পৌঁছাতে পারেনি।
সুদানে সোনার খনন বেশিরভাগ সময় নিরাপত্তা নিয়ম এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ছাড়াই হয়। সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো দরিদ্র শ্রমিকদের বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে কাজ করতে বাধ্য করে। ক্ষুধার্ত শ্রমিকদের কাছে কোনো বিকল্প থাকে না এবং তারা নিজের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে খনিতে নামেন।
সুদানের এই খনিগুলো থেকে উত্তোলিত সোনা বিশ্বব্যাপী বাজারে বিক্রি হয়, কিন্তু শ্রমিকদের নিরাপত্তার জন্য কোনো দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া হয় না। দুর্ঘটনার পরেও খনি মালিকদের বিরুদ্ধে কোনো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয় না এবং শ্রমিকরা বীমা বা ক্ষতিপূরণ পায় না। স্থানীয় ডাক্তার এবং উদ্ধার দল অনুমান করছেন যে ধ্বংসস্তূপ সরানোর সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।
अक्सर पूछे जाने वाले सवाल
- এই ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার অভিযান কিভাবে চলছে?
- উদ্ধারকারীরা কুড়াল এবং সাধারণ সরঞ্জাম দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরানোর চেষ্টা করছেন, কারণ ভারী যন্ত্রপাতি পৌঁছায়নি।
- কেন নিরাপত্তা ব্যবস্থা এত নিচ্ছে না খনিগুলোর ক্ষেত্রে?
- সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো দরিদ্র শ্রমিকদের ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে বাধ্য করে, আর সুদানের প্রশাসনিক কাঠামো দুর্বল।
- খনির মালিকদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?
- দুর্ঘটনার পরও কোনো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
AI-निर्मित · पूरी ख़बर से पुष्टि करें
50 free articles left today
0 of 50 free reads used today.
সর্বাধিক পঠিত



Comments
0 threadsNo approved comments yet. Start the discussion.